সফলতার গল্প ২৯

ডিম্বাশয়ে ডিম্বানুর স্বল্পতাঃ

মেয়েদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে ওভারিয়ান রিজার্ভ কমতে থাকে বা ডিম্বাশয়ে ডিম্বানুর সংখ্যা ও গুণগত মান কমতে থাকে।

বিশ থেকে পচিঁশ বছর বয়স সময়কালের মধ্যে মেয়েদের প্রজনন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি থাকে। পঁচিশ বছরের পর হতে ডিম্বানুর সংখ্যা কমতে থাকে। ত্রিশ বছরের পর হতে দ্রুতগতিতে ডিম্বানুর সংখ্যা কমতে থাকে। চল্লিশ বছর বয়সে খুব অল্প সংখ্যক ডিম্বাণু অবশিষ্ট থাকে ডিম্বাশয়ে। এই অল্প সংখ্যক ডিম্বাণুর গুণগত মানও ভালো থাকে না। আর তাই বেশি বয়সে বন্ধ্যাত্বের সমস্যাও দেখা দেয় এবং প্রেগন্যান্সি হলেও মিসক্যারেজ হবার চান্সও বেশি থাকে।

ইদানিং খুব কম বয়সী মেয়েদের মধ্যেও আমরা ওভারিয়ান রিজার্ভ অনেক কম দেখতে পাচ্ছি। এদের ফার্টিলিটি ট্রীটমেন্ট করতে গিয়ে আমরা ফার্টিলিটি স্পেশালিষ্টরা অনেক বড় চ্যালেন্জের মুখোমুখি হই।

মাত্র ২৪ বছর বয়সে একটি মেয়ে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা নিয়ে আমার কাছে আসে। এর আগে একটি মিসক্যারেজের ইতিহাস ছিলো। পরীক্ষায় তার ডিম্বাণুর স্বল্পতা পাই। AMH ছিলো মাত্র ০.৩৭। কাউন্সেলিং করে চিকিৎসা শুরু করি। অনেক চড়াই- উতরাই পেরিয়ে এই ফুটফুটে শিশুটির মা হতে পারলো অবশেষে মেয়েটি। মহান আল্লাহতালার প্রতি লক্ষ-কোটি বার শুকরিয়া আর কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের এই কঠিন জার্নিকে সফলতা দেবার জন্য। আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহপাক মা ও শিশুকে সুস্থ রাখুন, এই দোয়া করি, আমীন।

ডাঃ শিরিন জাহান

বন্ধ্যাত্ব, প্রসূতি, গাইনী ও প্রজনন হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ

কনসালটেন্ট

ইনফার্টিলিটি কেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, পান্থপথ, ঢাকা

যোগাযোগঃ০১৮৯৪৮৯২৮৮৭, ০১৯৪০৩৩৩৭৭০

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ধানমন্ডি, ঢাকা

যোগাযোগঃ০১৭৯৯৪৯১৮০২, ১০৬৩৬

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *