আই ইউ আই এর সফলতার গল্পঃ
বিয়ের দশ বছর পর প্রেগন্যান্সি……আলহামদুলিল্লাহ!
স্বামী-স্ত্রীর বিবাহিত জীবন ১০ বছরের। স্বামী বিদেশে থাকেন।
এবার চার মাসের জন্য দেশে এসেছেন। এর মধ্যে প্রথম আড়াই মাস নিজেরা চেষ্টা করে আমার কাছে এসেছেন। স্ত্রীর মাসিক অনিয়মিত ছিলো, পিসিওএস এর রোগী ছিলেন। AMH ছিলো ১২.২। স্বামীর সিমেন টেষ্টের রিপোর্ট ভালো ছিলো। আমরা কাউন্সেলিং করে SIS পরীক্ষা করে আই ইউ করার সিদ্ধান্ত নেই। টিউব খোলা ছিলো। ঔষধ এবং ইনজেকশন দিয়ে ডিম্বানু বড় করি। ডান দিকের ওভারীতে দুটো ডিম্বানু ম্যাচিউর হয় এবং সময়মতো আই ইউ আই করি। মাসিকের ডেট পার হলে নিজেরা প্রেগন্যান্সি টেষ্ট করে পজিটিভ রেজাল্ট পান। আমাদের কাছে ফলো আপে আসলে বিটা এইচসিজি টেষ্ট ও টিভিএস করি। বিটা এইচসিজি রিপোর্ট আসলো ৩০,০০০ আই ইউ এবং আল্ট্রসনোতে টুইন প্রেগন্যান্সি পাই।
আলহামদুলিল্লাহ। পুরো প্রেগন্যান্সি সময়কাল নির্বিঘ্নে কাটুক – মহান আল্লাতালার কাছে এই দোয়া করি, আমীন।
ডাঃ শিরিন জাহান
বন্ধ্যাত্ব, প্রসূতি, গাইনী ও প্রজনন হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ
কনসালটেন্ট
ইনফার্টিলিটি কেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, পান্থপথ, ঢাকা
যোগাযোগঃ০১৮৯৪৮৯২৮৮৭
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ধানমন্ডি, ঢাকা
যোগাযোগঃ০১৭৯৯৪৯১৮০২



