সফলতার গল্প ৩৬

দীর্ঘ অপেক্ষার পালা শেষে অবশেষে রাজপুত্রের আগমনের মাধ্যমে মা- বাবা হলেন এক দম্পতি- আলহামদুলিল্লাহ।

মেয়েটির পিসিওএস এর সমস্যা ছিলো। এর আগে একটা মিসক্যারেজও হয়েছিলো। এর পর আর কনসিভ করতে পারছিলেন না। অনেক চিকিৎসাও নিয়েছিলেন এর আগে বন্ধ্যাত্বের জন্য। আমরা সব ধরনের পরীক্ষা করাই। Lupus Anticoagulant positive ধরা পরলো। এরপর ওভুলেশন ইনডাকশন দেই – এরপরই কনসিভ করলো , আলহামদুলিল্লাহ।

এরপরের জার্নিটা খুব smooth ছিলো না। প্রেগন্যান্সির শুরুতে ব্লিডিং হওয়া, ডায়াবেটিস ধরা পরা , সবকিছুই সুন্দরমতো ম্যানেজ হচ্ছিলো। ৩২ সপ্তাহ পর্যন্ত বাচ্চার বৃদ্ধি স্বাভাবিক ছিলো, এরপর থেকে বৃদ্ধি কম হচ্ছিলো।এরমধ্যে ৩৭ সপ্তাহে হঠাৎ পানি ভেঙে গেলে ইমারজেন্সী সিজারিয়ান সেকশন করা হয়। বাচ্চার ওজন ১৭০০ গ্রাম হলেও বাচ্চার সবকিছু ভালো ছিলো। প্রথম সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ২০০ গ্রাম বেড়েও গেলো।

মা ও বাচ্চাকে আল্লাহতালা সুস্থ রাখুন , এই দোয়া করি, আমীন।

আল্লাহ তালার কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই এই মা-বাবার কোলকে পূর্ণ করার জন্য আর এ নিয়ামতে আমাকে রাখার জন্য।

ডাঃ শিরিন জাহান

বন্ধ্যাত্ব, প্রসূতি, গাইনী ও প্রজনন হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ

কনসালটেন্ট

ইনফার্টিলিটি কেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, পান্থপথ, ঢাকা

যোগাযোগঃ০১৮৯৪৮৯২৮৮৭,০১৯৪০৩৩৩৭৭০

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ধানমন্ডি, ঢাকা

যোগাযোগঃ০১৭৯৯৪৯১৮০২, ১০৬৩৬

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *